অপবিত্র কম্বল-তোষকের ওপর জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়া যাবে?

অপবিত্র কম্বল-তোষকের ওপর জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়া যাবে?

দেশজুড়ে

কাঁথা-কম্বল ইত্যাদির কোনো এক কোণে যদি ছোট বাচ্চার পেশাব লাগে এবং তা শুকিয়ে যায় তাহলে কি পবিত্র অপর অংশে নামাজ পড়া যাবে? তেমনি তোশক বা জাজিমের এক পিঠে নাপাকি লাগলে তা উল্টিয়ে অপর পিঠে কি নামাজ পড়া যাবে?

আলেমদের মতে, কাঁথা-কম্বলের এক অংশ নাপাক হলে এর পবিত্র অংশে নামাজ পড়া জায়েজ আছে। আর ভারী তোশক বা জাজিমের এক পিঠে নাপাকি লাগলে তার অপর পিঠে যদি নাপাকির রং বা আর্দ্রতা প্রকাশ না পায় এবং গন্ধও পাওয়া না যায় তাহলে অপর পিঠে নামাজ পড়া যাবে।

জাজিম, তোশক ইত্যাদি যেগুলো ধোয়া যায় না, সেগুলোতে নাপাকি লেগে গেলে নাপাকি শুকিয়ে যাওয়ার পর তার উপর জায়নামাজ বা কাপড় বিছিয়ে তা ব্যবহার করা যাবে এবং নামাজ পড়া যাবে।

গোসলের অঙ্গ শুকনো থাকলে

ফরজ গোসলের সময় সারা শরীরে পানি ঢালতে হয়। যেন কোনো অঙ্গ যেন সামান্যও শুকনা না থাকে। সামান্য স্থান শুকনো থাকলেও পূর্ণাঙ্গ গোসল হয় না। আর পূর্ণাঙ্গ গোসল না হলে সে পবিত্রও হবে না।

সুতরাং ফরজ গোসলের শেষে কোনো উপায়ে যদি জানা যায় যে, শরীরের কোনো অঙ্গের কোথাও শুকনো রয়ে গেছে; তা হলে শুধু শুকনো জায়গা পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই হবে। নতুন করে গোসল করতে হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে, এক ব্যক্তি নবী কারিম (সা.)-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল যে, কেউ ফরজ গোসল করেছে, কিন্তু তার কোনো একটি অঙ্গে পানি পৌঁছেনি। (এখন তার করণীয় কী?) রাসুল (সা.) বললেন, সে ওই অঙ্গটি ধুয়ে নিয়ে নামাজ পড়বে। (আল-মুজামুল কাবির, তবারানি : ১০/২৩১)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *