আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহে বাংলাদেশে ১৯০টি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করেছে বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান। রিউমর স্ক্যানার, ফ্যাক্ট ওয়াচ, ডিসমিসল্যাবসহ একাধিক সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, এসব বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রধান শিকার হচ্ছেন রাজনৈতিক দল ও তাঁদের শীর্ষ নেতারা। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কেন্দ্র করেই সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
অপপ্রচারের পরিসংখ্যানে যারা শীর্ষে গত সাত দিনের ১৯০টি ভুয়া তথ্যের মধ্যে ৯৩টিই ছিল নির্বাচনকেন্দ্রিক। একক ব্যক্তি হিসেবে তারেক রহমানকে নিয়ে ২৯টি ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এরপরই রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা (৯টি) এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান (৭টি)। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়েও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
তারেক রহমানকে নিয়ে যত বিভ্রান্তি তারেক রহমানের কণ্ঠ ও ছবি বিকৃত করে বেশ কিছু এআই-জেনারেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ভিডিও ও ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা হলো:নির্বাচনকেন্দ্রিক গুজব ও সংস্থার বক্তব্য ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থাগুলোর মতে, ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন বা স্থগিত হওয়া এবং নির্দিষ্ট দলের অবাস্তব জয়ের জরিপ (যেমন: জাতিসংঘের নামে ভুয়া জরিপ) প্রচার করা হচ্ছে। রিউমর স্ক্যানার সর্বোচ্চ ১২৬টি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করেছে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও ইতিমধ্যে বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় উৎস থেকে আসা এই ‘তথ্য-প্লাবন’ বা ডিসইনফরমেশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে এই ধরনের সাইবার অপপ্রচার মোকাবিলা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।






Leave a Comment