মাদারীপুরে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গো*প*না*ঙ্গ ব্লে*ড দিয়ে কে*টে ফে*লার অ*ভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রীর বি*রুদ্ধে। ওই ব্যক্তির নাম নাঈম মাতুব্বর ওরফে হাবিব (৩৫)। তিনি একজন ইতালি প্রবাসী।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ৪টার দিকে সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দিয়াবাড়ি এলাকার মাতুব্বর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘ*টনায় অভিযুক্ত স্ত্রী শিউলি বেগমকে (২৯) আ*টক করেছে সদর মডেল থা*নার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে দিয়াবাড়ি গ্রামের মৃ*ত্যু রশিদ মাতুব্বরের ছেলে ইতালিপ্রবাসী নাঈম মাতুব্বর সঙ্গে একই গ্রামের হোসেন মাতুব্বরের মেয়ে শিউলি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরেই স্ত্রীর পরকীয়ারসহ পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কলহ সৃষ্টি হয়। প্রায় ৪ মাস আগে নাঈম মাতুব্বর ইতালি থেকে দেশে বেড়াতে আসেন। এরপরে হাবিব তার স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই আরেকটি বিয়ে করেন। এ নিয়ে শিউলির সঙ্গে নাঈমের বি*রোধ আরও বেড়ে যায়। শুক্রবার রাতে নাঈমের সঙ্গে তার স্ত্রীর ফের কথাকাটাকাটির ঘ*টনা ঘ*টে। এক পযার্য়ের স্ত্রী শিউলি বেগম ক্ষু*দ্ধ হয়ে তার স্বামীকে রাতের খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। পরে নাঈম অ*চে*তন হয়ে পড়লে রাত ৪টার দিকে ঘুমন্ত স্বামীর গো*প*না*ঙ্গ ব্লে**ড দিয়ে গু*রতর আ*ঘাত করে শিউলি। পরে গু*রতর আ*হত অবস্থায় নাঈমকে তার পরিবারের লোকজন উ*দ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে শনিবার সকালে উন্নত চি*কিৎসার জন্য নাঈমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
জানতে চাইলে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াদ মাহামুদ বলেন, ব্লেডের আ*ঘাতে ওই ব্যক্তির গো*পনা*ঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । পুরো লি*ঙ্গ কর্তন হয়ে যায়নি। তাকে সা*র্জারি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তাকে উন্নত চি*কিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
নাঈমের ভাবি শেফালি বেগম বলেন, আমার দেবর নাঈম আর চারদিন পরে ইতালি চলে যাওয়ার কথা। অথচ সে এখন হা*সপা*তালে। আমার দেবরকে রাতে কোকের সঙ্গে ঘুমের ও*ষুধ খাইয়ে অচেতন করে গো*পনা*ঙ্গ কে*টে ফেলেছে তার স্ত্রী শিউলি। আমরা এই ঘ*টনার বি*চার চাই।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর থা*নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের কারণে স্ত্রী শিউলি বেগম ক্ষু*দ্ধ হয়ে তার স্বামীর গো*প*না*ঙ্গ ব্লে*ড দিয়ে আ*ঘাত করেছে। অ*ভিযুক্ত স্ত্রী শিউলি পুলিশের কাছে তার অ*পরাধ স্বীকার করেছেন। ঘটনার পরেই আমরা স্ত্রীকে আটক করেছি। এ ব্যাপারে ভু*ক্তভো*গী আমাদের কাছে অ*ভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি পুলিশ ত*দন্ত করে আ*ইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।







Leave a Comment